বাংলা সিরিয়াল

জঙ্গলে বাঘ জলে কুমিরের সম্মুখীন হয়ে কাঁকড়া তোলার ভয়ংকর পেশা গীতা দেবীর! জীবন বাজি রেখে তার সেই উপার্জনের গল্প দিদি নাম্বার ওয়ান এর মঞ্চে এসে বললেন গীতা মল্লিক!

জি বাংলা দিদি নাম্বার ওয়ান এর মঞ্চে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সেলিব্রিটি সকলেই আসেন। এই মঞ্চ সকলের কাছে একটা ইনস্পিরেশন। মানুষ তার জীবনের লড়াইয়ের গল্প, তার সংগ্রামের গল্প, জীবনের খারাপ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের গল্প-সব‌ই এসে দিদি নাম্বার ওয়ান এর মঞ্চে বলেন আর সেই সব সংগ্রামের কাহিনী শুনতে শুনতে মানুষ প্রেরণা পান, জীবন যুদ্ধে লড়াই করার তাগিদ খুঁজে পান।

সুন্দরবনের ঝড়খালির মেয়ে গীতা মল্লিক সম্প্রতি খেলতে এসেছিলেন জি বাংলার ‘দিদি নাম্বার ওয়ান’ এর মঞ্চে। গীতা মল্লিকের পেশা এতটাই অদ্ভুত যে তা শুনে রচনা ব্যানার্জী পর্যন্ত অবাক হয়ে যান। গীতার পেশা হলো কাঁকড়া তোলা , মাছ ধরা। বিয়ের পর থেকে সাত বছর ধরে এই পেশার সাথে যুক্ত তিনি। এই সাত বছর ধরে গীতার সরদার মাতলা নদীতে নৌকা চালিয়ে মাছ ধরেন তিনি।

কিন্তু কেন এই পেশা বেছে নিয়েছিলেন গীতা? আসলে অভাবের সংসারে একটু সচ্ছলতা আসবে ভেবে এই পেশা বেছে নিয়েছিলেন তিনি। গীতা জানান, তার স্বামী স্বল্প জমিতে চাষ করে সংসার চালাতেন।
দিদি নাম্বার ওয়ান এর মঞ্চে এসে তিনি বলেন সারা বছর চাষবাস করে সেই ভাবে সংসার চলে না, তাই সংসার একটু সচ্ছলতা আনতেই তিনি এই পেশাকে বেছে নিয়েছেন।

বাবার সাথে নদীতে গিয়ে নৌকো চালানো শিখেছেন তিনি। তবে এই পেশাতে রীতিমত ঝুঁকি আছে এ যেন জঙ্গলে বাঘ জলে কুমিরের সাথে লড়াই করে পেশা বাঁচিয়ে রাখা। জঙ্গলে সরু খালের মধ্যে গিয়ে কাঁকড়া তুলতে গিয়ে অনেকবার বাঘের গর্জন ও কুমিরের মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। সাবধানতা অবলম্বন করেই তাকে এই উপার্জনটুকু বাঁচিয়ে রাখতে হয়।

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।