বাংলা সিরিয়াল

“আমাকে পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে টি গার্ডেনের মধ্যে বাথটবে ফুল দিয়ে দিচ্ছে, শিফন শাড়ি পরাচ্ছে, আমার ইচ্ছে ছিল বেশ “তেরে মেরে”তে নাচব, সেটাও পূরণ করে দিয়েছে” – বাস্তবে মিঠাই এর জীবনের উচ্ছে বাবুর নাম সামনে আবলেন সৌমিতৃষা নিজেই

বাংলা বিনোদন মাধ্যমের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হল টেলিভিশন। এই টেলিভিশনের হাত ধরে আমরা প্রত্যেকদিন যে সব ধারাবাহিক দেখি তা আমাদের জীবনের সাথে প্রায় ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গিয়েছে। এমন বেশ কিছু ধারাবাহিক আছে যা খুব কম সময়ের মধ্যেই দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছে। যদিও শুধু ধারাবাহিক বা তার গল্প বলা ভুল হবে, জায়গা করেছে ধারাবাহিকের কলাকুশলীরাও। বিশেষত টেলিভিশন চ্যানেলগুলির টিআরপির হাড্ডাহাড্ডি লড়াইতে টিকে থাকতে চ্যানেলগুলি বেশকিছু নতুন নতুন ধারাবাহিক আনে। আর সেই ধারাবাহিকেই উঠে আসে নতুন নতুন অভিনেতা অভিনেত্রীদের মুখ। তেমনই জি বাংলার একটি জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো “মিঠাই”। আর সেই ধারাবাহিকের মুখ্য চরিত্র মিঠাই আর সিদ্ধার্থ মানুষের মনের খুব কাছের হয়ে উঠেছেন এই কয়েকদিনের মধ্যেই। বিশেষত মিঠাই তো সোশ্যাল মিডিয়ায় সেন্সেশন হয়ে গিয়েছেন। বর্তমানে মিঠাই ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা কমলেও অভিনেত্রী সৌমির জনপ্রিয়তায় তাতে এতটুকু ভাটা পড়েনি। বরং ঠিক হয়েছে উল্টোটা। সাধারণ মানুষ অভিনেত্রীর জীবন সম্পর্কে জানতে সবসময়ই মুখিয়েই আছেন। তেমনি সাধারণ মানুষের অভিনেত্রী সৌমিকে নিয়ে সব থেকে বড় প্রশ্ন হল বাস্তব জীবনে সৌমির উচ্ছে বাবু কে?

এবার সম্প্রতি এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি দিদি নাম্বার ওয়ান এর মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় টেলি অভিনেত্রী সৌমিতৃষা কুন্ডু। সেখানেই সঞ্চালিকা রচনা প্রশ্ন করেন অভিনেত্রীকে। যদিও এটা সাধারন মানুষের খুবই চাহিদাযুক্ত একটি প্রশ্ন। সঞ্চালিকা রচনার প্রশ্ন করেন, “মিঠাই এর জীবনে তো উচ্ছেবাবু আছে সৌমীতৃষার জীবনে কি কোনো করলাবাবু আছে ?” উত্তরে সৌমি বলে ওঠেন, “কেন আমি তো নিজের ভ্যালেন্টাইন হিসেবে জি বাংলার নাম নিয়েই নিয়েছি। যারা আমাকে পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে টি গার্ডেনের মধ্যে বাথটবে ফুল দিয়ে দিচ্ছে, শিফন শাড়ি পরাচ্ছে, আমার ইচ্ছে ছিল বেশ ‘তেরে মেরে ‘তে নাচব, সেটাও পূরণ করে দিয়েছে। তাহলে জি বাংলা ছাড়া আর কে হতে পারে”। সুতরাং অভিনেত্রী জব স্পষ্ট যে অভিনেত্রী জি বাংলাকে নিজের জীবনের ভ্যালেন্টাইন হিসেবে তুলে ধরছেন দর্শকের সামনে।

এছাড়াও অভিনেত্রীকে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আরো কিছু প্রশ্ন করা হয়। অভিনেত্রীকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে সৌমিতৃষার প্রেমিককে কি রান্না করতে জানতেই হবে? যদিও এ প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, তাঁর তেমন কোন ক্রাইটেরিয়া নেই। তবে একটু ভালো-টালো বেসে প্যাম্পার করতে হবে। অভিনেত্রীর যে সমস্ত অনুরাগীরা তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যথেষ্ট উৎসাহী ছিলেন তাদের কাছে এই উত্তরগুলি মোটামুটি সন্তোষজনক। এই উত্তরগুলি সোশ্যাল মিডিয়াতে মোটামুটি ছড়িয়ে গিয়েছিল। গত রবিবার লক্ষী পুজোর দিন এপিসোড সামনে আসার আগেই ভিডিও ক্লিপস দেখতে পাওয়া গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। সুতরাং বোঝাই যায় অভিনেত্রীর অনুরাগীর সংখ্যা ঠিক কত। আর তাঁর অনুরাগীরাও তাকে কতটা পছন্দ করেন।

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।