বাংলা সিরিয়াল

‘মিঠাই’ থেকে বিদায় নিচ্ছেন ওমি! মৃত্যু হল ওমি আগারওয়ালের, দুর্ঘটনার কবলে পড়ে শেষ হয়ে গেল মোদক পরিবারের শেষ শত্রু

সবেমাত্র একটা বিপদ থেকে উদ্ধার হলো মোদক পরিবার। কিছুদিন আগে ওমি আগারওয়ালের চক্রান্তের শিকার হয়েছিল গোটা পরিবার। সিদ্ধার্থ কে তাক করে গুলি করতে গিয়ে মিঠাই কে গুলি করে ওমি। ওমির গুলিতে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে মিঠাই। অবশেষে সকলের চেষ্টা এবং সিদ্ধার্থের মনের জোরে জন্য মিঠাই মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছে। তাও অনেকটা বড় ফারা কেটে গিয়েছে মোদের পরিবারের উপর থেকে। তাই পরিবারের সকলেই এখন খুব ভয় ভয় রয়েছে কখন আবার কোন বিপদ ঘটে যায়। তবে সব বিপদ কাটি আবার হৈ-হুল্লোড় করতে নেমে পড়েছে হাল্লা পার্টি। কিন্তু এদিকে নিপার বেজার রাগ হয়েছে রুদ্রদার উপর। তাই নিপার রাগ ভাঙ্গানোর জন্য সকলেই রুদ্রদাকে ফোন করে আর ঠিক তখনই আসে সেই ভয়ানক দুঃসংবাদ।

রুদ্রকে ফোন করলে জানা যায় যে ওমি আগারওয়াল কিছুদিন আগে মোদক পরিবারের ক্ষতি করতে এসেছিল সেই ওমি আগারওয়াল নাকি আর নেই। কোন এক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ওমির। তবে এখন ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে এই নিয়ে, যে সত্যিই ওমির মতন একজন শয়তান দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছে নাকি এটা তার পরবর্তী কোনো নতুন চাল? এই নিয়ে এখন জোড় সংশয়ে রয়েছে মোদক পরিবারের সকলে মনে এবং দর্শকেদের মধ্যে।

ওমি আগারওয়ালের মৃত্যু সংবাদ কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছে না সিদ্ধার্থ। তার মনে একটাই প্রশ্ন বারবার ঘুরপাক খাচ্ছে ওমির মত একজন এত ভয়ঙ্কর শয়তান কি করে একটা দুর্ঘটনায় মারা যেতে পারে। তাই পুরো বিষয়টা নিজের চোখে দেখার জন্য রুদ্র সঙ্গে সিদ্ধার্থ যায় সেই ঘটনাস্থলে। কিন্তু ঘটনা স্থলে গিয়ে দেখে এক্সিডেন্টে যেই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে তার মুখ একেবারে নষ্ট হয়ে গেছে। ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় তাকে চেনাই যাচ্ছে না যে সে কি ওমি নাকি অন্য কেউ। অন্যদিকে ওমির বডি শনাক্ত করার জন্য ডেকে পাঠানো হয় ওমির বাবা এবং বোনকে। ক্ষতবিক্ষত চেহারা দেখে কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। তাই ওমির পায়ের তলায় জন্মদান দেখেই চিহ্নিত করা হয় যে ওই মৃত ব্যক্তি আর কেউ নয় ওমি আগারওয়াল।

নিজের দাদার মৃতদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ে পিংকি। অন্যদিকে ছোট জা কে সামলায় মিঠাই। যেই ওমি কিছুদিন আগে মিঠাইকে মারতে চেয়েছিল মোদক পরিবারের ক্ষতি করতে চেয়েছিল সেই আগারওয়াল পরিবারের পাশে এসে দাঁড়ায় মোদক পরিবার। অন্যদিকে ছেলের মৃত্যুর শোকে কান্নায় ভেঙে পড়েছে ওমির বাবা। পিংকিকে সামলানোর দায়িত্ব নিয়েছেন নিপা, শ্রীতমা, মিঠাই প্রত্যেকে। মিস্টার আগারওয়াল কেও মনোহরাতে নিয়ে আসা হয়েছে। সেখানেই তার সেবা যত্ন করা হচ্ছে। কিন্তু এইসবের মাঝেও সিদ্ধার্থ কিছুতেই নিশ্চিত হতে পারছে না। সেই মৃতদেহ ওমির কিনা তার মনে এখনো আশঙ্কা রয়েছে বিপদের। সে ভাবছে এই মৃত ব্যক্তির আড়ালে কোন নতুন চাল নেই তো? আদ্দৌ ওই মৃতদেহটি ওমির তো? আর সিদ্ধার্থের পাশাপাশি দর্শকের মনেও একই প্রশ্ন উঠেছে সকলেই ভাবছে আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।