বাংলা সিরিয়াল

অটো ক্লিকিং এর সাহায্যে একজন ব্যক্তি একাধিক ভোট দিচ্ছেন! সোনামণি ভক্তরা এই প্ল্যানিং করেও গো হারান হারলেন মিঠাইয়ের কাছে! মিঠাই ভক্তদের দাবি তারা এই পদ্ধতির ব্যবহার করেননি করেছে সোনামণি ভক্তরা

বিনোদন জগতে অনেক সময় অনেক ধরনের অ্যাওয়ার্ড ফাংশনের আয়োজন করে থাকে। বিভিন্ন বিনোদন সংস্থা চান বিনোদন জগতের অভিনেতা অভিনেত্রীদের সম্মানিত করতে আর যার কারণেই অনুষ্ঠিত হয় সেই সব অ্যাওয়ার্ড ফাংশন। তার মধ্যে একটি অ্যাওয়ার্ড ফাংশন হল কলকাতা গ্লিটজ অ্যাওয়ার্ড। গত সাত বছর ধরে এই অ্যাওয়ার্ড ফাংশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কিন্তু এই প্রথমবার এই অ্যাওয়ার্ড ফাংশনের প্রতিযোগিতার অংশ হওয়ার পরে দুই ধারাবাহিকের ভক্তদের মধ্যে শুরু হল বিতর্কের লড়াই।

এবছর কিছুদিন আগেই শুরু হয়েছে এওয়ার্ড ফাংশনের পপুলার ভোট পর্ব। আগেরবার মিঠাইয়ের নাম না থাকায় এবার মিঠাই এর ভক্তরা ঠিক করেছিলেন ভোট দিয়ে মিঠাইকে জেতাতেই হবে। কারণ গত বছর পপুলার চয়েসে সেরা জুটি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিল মোহর শঙ্খ জুটি। আর জুরিদের পছন্দ হিসেবে সেরা জুটি ছিল উর্মি আর টুকাইবাবু।

আর এইসব নিয়েই শুরু হল নতুন বিতর্ক। মিঠাই ভক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে যে তারা অটো ক্লিকিং পদ্ধতির ব্যবহার করে মিনিটে ৪০০ থেকে ৫০০টি ভোট বাড়িয়ে দিচ্ছে মিঠাইয়ের পক্ষে। এবারে লড়াই চলছিল সাহেব বনাম সিদ্ধার্থ আর রাধিকা বনাম মিঠাইয়ের। এবারও শেষ দুদিন চলল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। তবে জানা গিয়েছে ওই ওয়েবসাইটেই ছিল মূল সমস্যা। আর সে সমস্যাটি হল একজন ব্যক্তি একাধিক ভোট দিতে পারেন।

কিন্তু এই সমস্যাকেই কান্ডারী করেছেন ভোটাররা। যদিও মিঠাই ভক্তদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে যে তারা একাধিক ভোট দিচ্ছেন তার প্রমাণের আগেই এসে গেল সোনামণি ভক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ। জানা গিয়েছে তারা সোনামণি আর প্রতীকের পক্ষে অটো ক্লিকিং পদ্ধতির ব্যবহার করে ভোট বাড়াচ্ছেন।

আসলে কিছু গ্রুপের ছবি ফাঁস হয়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে কে কখন অটো ক্লিকিং ইউজ করে ভোট করবেন সেটা নির্দিষ্ট করা হয়েছে। বিভিন্ন রকম প্ল্যান প্রোগ্রাম করে তবেই ভোটাভুটি নির্দিষ্ট করা হচ্ছে। তবুও শেষ দানে মিঠাই ভক্তরাই জিতে গেছে। ঋত্বিক মুখার্জি এবং অরুনিমা হালদার আলাদাভাবে জিতেছেন।

কিন্তু স্টার জলসার মোহদীপ ভক্তরা যেভাবে মিঠাই ভক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন তাতে রাগে ফুচছে মিঠাই ভক্তরা। নিজেরা অটো ক্লিকিং পদ্ধতির ব্যবহার করে জিততে না পেরে ও মিঠাইরা জিতে যাওয়ায় নিজেদের আক্রোশ প্রকাশ করছেন সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেনিং বয়কটকে ব্যবহার করে। বয়কটের ভয় দেখানো হচ্ছে, কলকাতা গ্লিটজ অ্যাওয়ার্ড কে। কিন্তু আবার অনেকেই বলছেন আগের বছর তো পেয়েছিলেন তারা তো এই বছর নেই কোন কোন জুটি তাতে কোন অসুবিধা নেই।

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।