বাংলা সিরিয়াল

দুর্গাপূজায় ভট্টাচার্য বাড়িতে উপস্থিত সিংহ রায় বাড়ির সদস্যরা, এদিকে সিংহ রায় বাড়িতে মধ্যরাতে ডাকাতি! পিসেমশাই একসাথে পারিবারিক সমস্যা কি তবে মিটলো?

বর্তমানে গাঁটছড়া ধারাবাহিকে চলছে একদম জমজমাটই পর্ব। ঘড়ির বাপের বাড়ি অর্থাৎ ভট্টাচার্য বাড়িতে দুর্গাপূজা হত। খড়ির জেঠুর মৃত্যুর পর পাঁচ বছর হয়ে গেছে সেই দুর্গাপূজা বন্ধ। তবে এই বছর ঋদ্ধিমান সিংহ রায়ের উদ্যোগে ভট্টাচার্য বাড়িতে আবার শুরু হলো দুর্গাপূজা। মা দুর্গার আবির্ভাব ঘটেছে খড়ির তুলির টানে। সব মিলিয়ে দূর্গা পূজার আয়োজন একেবারে তুঙ্গে। সিংহ রায় বাড়ির সকলেই এখন ভট্টাচার্য বাড়িতে। অন্যদিকে সপ্তমীর রাতে সিংহ রায় বাড়িতে ঘটে যায় দুর্ঘটনা। এত বড় বাড়িতে ছোট পিসিমনি একা রয়েছেন গুবলুকে নিয়ে। এই সুযোগে পিসিমণির নির্দেশেই ছোট পিসেমশাই চলে আসেন সিংহ রায় বাড়িতে। এই খবর সিংহরায় বাড়ির সিকিউরিটি গার্ড এদিকে ফোন করে জানান। কিন্তু পিসেমশাই যেহেতু এর আগেও সিংহ রায় পরিবারের অনেক ক্ষতি করেছে তাই ঋদ্ধি আর খড়ির মনে হয় যে পিসেমশাই নিশ্চয়ই পিসিমণির কোনো ক্ষতি করতে এখানে এসেছে। আর সেই ফোন পেয়েই ছুটে চলে যায় ঋদ্ধি আর খড়ি। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখে ঘটনা একেবারে অন্য। পিসেমশাই কে দোষ দিতে দিতে ঋদ্ধি জানতে পারে যে পিসেমশাই নয় অন্য কারো দৌলতের সিংহ রায় বাড়িতে প্রবেশ করেছে ডাকাত।

উদ্দেশ্যে ওই সোনার বাক্স। তবে সেই সোনার বাক্সে কি আছে তা এখনো সিংহ রায় বাড়ির অনেকেই জানে না। এর আগেও একবার এই সোনার বাক্স বাইরে বাজারের ব্যবস্থা করেছিল। কিন্তু সেটাও হয়নি। তুই আবারো একবার এই সোনার বাক্স ডাকাতি করে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এবারে শেষ মুহূর্তে তারা ধরা পড়ে যায় বনের হাতে। বনি তাদের মাথায় বন্ধুর ঠেকিয়ে তাদেরকে জিজ্ঞাসা করে সোনার বাক্স চুরি করতে তাদেরকে কে পাঠিয়েছে। প্রথমে বনির হাতে ধরা পড়ে কিছুটা ভয় পেয়ে যায় তারা। কিন্তু তাতে বিশেষ কিছু লাভ হয়নি। ওই ডাকাতদের মধ্যে অন্য আরেকজন বনির মাথায় জোরে লাঠির আঘাত করে সবাই মিলে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। ততক্ষণের ঋদ্ধি আর খড়ি পৌঁছে গিয়েছে বাড়িতে। যদিও বাড়িতে পৌঁছে প্রথমেই পিসেমশাই কে দেখতে পেয়ে অজস্র প্রশ্ন করে ঋদ্ধি। যদি এসে পরে বুঝতে পারে বাড়িতে ব্যাপার ঘটছে অন্য কিছু।

এরপরের ঋদ্ধির ছোট পিসিমনি তাকে জানিয়ে দেয় যে তিনি নিজেই ডেকে পাঠিয়েছেন তার স্বামী প্রসুনকে। ছোট পিসেমশাইয়ের সিংহ রায় বাড়িতে আসার পেছনে কোন অসৎ উদ্দেশ্য নেই। তিনি শুধু এসেছেন ডাক্তারের কথা মত নিজের ছেলের চিকিৎসার প্রয়োজনে। ডাক্তার বলেছিলেন বলেই মধ্যরাতে বাড়ির সবাইকে লুকিয়ে বাড়ির ছোট জামাইকে ডেকে এনেছিলেন ছোট পিসি। সবটা বুঝে আর বাড়িতে হওয়া ঘটনা দেখে ঘুরে বুঝতে পারে যে এইবারের ভুলটা তাদের হয়েছে। তাই সে সবটা শুধরে নিতে চায়। মহা অষ্টমী অঞ্জলি পরিবারের সকলে মিলে একসাথে মিলে এমনটাই ঠিক করে সে। কিন্তু অন্যদিকে বাড়ির মেজো ছেলে রাহুল জেলে। এই নিয়ে কষ্টে আছে দ্যুতি। কিন্তু সে কি পারবে সবটা ভুলে রাহুলকে ক্ষমা করে দিতে? পরের পর্বে কি টুইস্ট আসতে চলেছে তা জানাবে সময়।

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।